মেনু নির্বাচন করুন

এম, এ কাসেম রাজা উচ্চ বিদ্যালয়,সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

উক্ত প্রতিষ্ঠানটি দক্ষণ শীতলপুর গ্রাম, সীতাকুন্ড থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্র্যাংক রোডের পার্শ্বে ১টি তলা, ১টি ২ তলা ভবন ও একটি ১ তলা ভবন অবস্থিত। উক্ত প্রতিষ্ঠানের শ্রেণী সংখ্যা ০৫টি যথাক্রমে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী পর্যমত্ম। ৯ম শ্রেণীতে মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ও বিজ্ঞান শাখা সহ ৩টি শাখা চালু আছে।

২০০০

এম.এ. কাসেম রাজা উচ্চ বিদ্যালয়টির জন্য ০৭/০১/২০০০ইং সালে রোজ শুক্রবার বিকাল ০৩ ঘটিকার সমায় জনাব এম.এ.কাসেম রাজা সাহেবের উদ্দ্যেগে স্থানীয় ৭৬ জন মুরববীগন ও এলাকার বিশিষ্ট শিÿানুরাগী জনাব মোঃ আবুল কাসেম সাহেবের সভাপতিত্বে প্রসত্মাবিত এম.এ.কাসেম রাজা হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে এক প্রস্ত্ততি সভা এম.এ.কাসেম (রাজা) রেজি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এম, এ, কাসেম রাজা সাহেব উক্ত সভায় জানান যে, সীতাকুন্ড উপজেলাধীন সোনাইছড়ি ইউনিয়নের অমত্মর্গত দক্ষিণ শীতলপুর ঘন বসতিপূর্ণ এলাকা এবং এলাকার জনগণ শিক্ষায় তেমন অগ্রসর নয়। এ ছাড়া এম,এ, কাসেম রাজা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিনে ৩ কি.মি. দূরে মাদাম বিবির হাট শাহজাহান উচ্চ বিদ্যালয় এবং উত্তরে প্রায় ৩ কি.মি. দূরে শীতলপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত। পূর্ব ও পশ্চিমে কোন বিদ্যালয় নাই। তাই অত্র এলাকায় একটি জুনিয়র হাই স্কুল স্থাপন করা প্রয়োজন। এর ওপর বিসত্মারিত আলোচনার পর এম.এ কাসেম রাজা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি জুনিয়র হাই স্কুল স্থাপন করার সিদ্ধামত্ম গৃহীত হয়। বিদ্যালয়টি স্থাপনের জন্য জনাব এম.এ.কাসেম রাজা সাহেব একটি পুরানো বিল্ডিং সহ ১একর জমি দান করেন। এবং পরে বিদ্যালয়ের নাম করন নিয়ে আলোচনা করে সভার সকলের সম্মতিক্রমে বিদ্যালয়ের নাম করন করা হয় এম.এ.কাসেম রাজা জুনিয়র হাই স্কুল। ১৭/১১/২০০০ইং তারিখে বিধি মোতাবেক ১ জন প্রধান শিক্ষক, ৩ জন সহকারী শিক্ষক, ১ জন অফিস সহকারী এবং ১ জন দপ্তরী নিয়োগ দেওয়া হয়। পরবর্তিতে ০১/০১/২০০৫ সালে বিদ্যালয় প্রাথমিক পাঠদান অনুমোদন এবং ০১/০১/২০০৮ সালে জুনিয়র স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০৯ সালে নবম শ্রেনী অনুমোদন হয়। ০১/০৫/২০১০ইং তারিখে বিদ্যালয় জুনিয়র এম.পিও হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনী স্বীকৃতি প্রক্রিয়াধীন আছে। ২০১২ সালে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জনাব এম.এ.কাসেম রাজা সাহেব আরও ১৪.৬৯ শতক জমি দান করেন। উক্ত জমিতে ৫তলা বিশিষ্ট ভবন নিজ অর্থায়নে তৈরীর কাজ শুরম্ন করেন।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
এস.এম. তাসলিমা 0 rajakasem@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
গৌতম চন্দ্র রায় 0 rajakasem@gmail.com
আনোয়ারা বেগম 0 rajakasem@gmail.com

শ্রেণীর নাম

শাখা

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

ইসলাম

হিন্দু

বৌদ্ধ

১০ম

বিজ্ঞান

০৩

০১

০৪

 

 

 

মানবিক

০০

০৬

০৬

ব্যবসায় শিÿা

১৫

৩৩

৪৮

৯ম

বিজ্ঞান

 

০২

০২

 

 

 

মানবিক

০০

০৮

০৮

ব্যবসায় শিÿা

২২

৩২

৫৪

৮ম

------

২৯

৪৭

৭৬

 

 

 

৭ম

------

৩৬

৬২

৯৮

 

 

 

৬ষ্ঠ

-------

৫১

৬৭

১১৮

 

 

 

সর্বমোট

------

১৫৬

২৫৮

৪১৪

 

 

 

১০০%

ইাম

পদবী

শিÿাগত যোগ্যতা

ক্যাটাগেরি

১। এম,এম,কাসেম রাজা

২। এস.এম. তাসলিমা

৩। মোঃ সেকান্দার হোসেন

৪। উজির আলী

৫। গোলাম মোসত্মফা

৬। মোঃ জসিম উদ্দিন

৭। মোঃ জয়নাল আবেদীন

৮। আনোয়ারা বেগম

৯। গৌতম চন্দ্র রায়

১০। মোঃ আবুল কাশেম

সভাপতি

প্রধান শিক্ষক

দাতা সদস্য

অভিভাবক

অভিভাবক

অভিভাবক

অভিভাবক

শিক্ষক প্রতিনিধি

শিক্ষক প্রতিনিধি

শিক্ষানুরাগী

১০ম শ্রেনী

বি.এ.বি.এড

সণাতকোত্তর

১০ম শ্রেনী

১০ম শ্রেনী

১০ম শ্রেনী

১০ম শ্রেনী

বি.এ.বি.এড

বি.এস.সি.বি.এড

এস.এস.সি

ব্যবসায়ী

 

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

ব্যবসায়ী

এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল

জে.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল

সাল

পাশের হার

সাল

পাশের হার

২০১২

১০০%

২০১০

৬২%

 

 

২০১১

৮২%

 

 

২০১২

৮৮%

১।       আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা

২।       উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠদান, যেমন মাল্টি মিডিয়া প্রজেক্টর, LCD/HD টিভি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পাঠ ব্যবস্থা।

৩।      শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষি অপেক্ষাকৃত বাছাই করা ছাত্র-ছাত্রীদের পরিকল্পনা অনুসারে বিশেষ পাঠদানের ব্যবস্থা।

৪।       বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারণ সাপেক্ষে সীমানা প্রাচীর নির্মান।

৫।       খেলাধূলার মান উন্নয়ন।

৬।      বিজ্ঞানাগারকে আরো সমৃদ্ধশালী করা।

৭।       আধুনিক পাঠাগার স্থাপন ও বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

৮।      হাই স্কুল থেকে কলেজ প্রতিষ্ঠা।

0



Share with :

Facebook Twitter